Tuesday, July 16, 2019

সফর ও কসরের সালাতঃ


ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে ফরজ সালাত (নামায/নামাজ) ব্যতীত তার সাওয়ারীতে থেকেই ইশারায় রাতের সালাত আদায় করতেন। সাওয়ারী যে দিকেই ফিরুক না কেন, আর তিনি বাহনের উপরেই বিতর আদায় করতেন। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৪/বিতর সালাত, হাদিস নম্বরঃ ৯৪৬]


ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার সফরে উনিশ দিন পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং সালাত (নামায/নামাজ) কসর করেন। কাজেই (কোথাও) আমরা উনিশ দিনের সফরে থাকলে কসর করি এবং এর চাইতে বেশী হলে পুরোপুরি সালাত আদায় করি। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০১৯] 

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মদিনা থেকে মক্কায় গমণ করি, আমরা মদিনা ফিরে আসা পর্যন্ত তিনি দু’রাকা’আত, দু’রাকা’আত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন। (রাবী বলেন) আমি (আনাস (রাঃ)-কে বললাম, আপনারা মক্কায় কত দিন ছিলেন তিনি বললেন, আমরা সেখানে দশ দিন ছিলাম। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০২০]

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মহিলাই যেন মাহরাম পুরুষকে সঙ্গে না নিয়ে তিন দিনের সফর না করে। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০২১]

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি, সফরে যখনই তাঁর ব্যস্ততার কারণ ঘটেছে, তখন তিনি মাগরিবের সালাত বিলম্বিত করেছেন, এমন কি মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) সফরের ব্যস্ততার সময় অনুরূপ করতেন। অপর এক সূ্ত্রে সালিম (রহঃ) বলেন, ইবনু উমর (রাঃ) মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। সালিম (রহঃ) আরও বলেন, ইবনু উমর (রাঃ) তাঁর স্ত্রী সাফীয়্যা বিনত আবূ উবাইদ এর দুঃসংবাদ পেয়ে মদিনা প্রত্যাবর্তনকালে মাগরিবের সালাত বিলম্বিত করেন। আমি তাঁকে বললাম, সালাতের সময় হয়ে গেছে। তিনি বললেন, চলতে থাক। আমি আবার বললাম, সালাত? তিনি বললেন, চলতে থাক। এমন কি (এ ভাবে) দু’ বা তিন মাইল অগ্রসর হলেন।
এরপর নেমে সালাত আদায় করলেন। পরে বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সফরের ব্যস্ততার সময় এরূপভাবে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে দেখেছি। আবদুল্লাহ (রাঃ) আরো বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি, সফরে যখনই তাঁর ব্যস্ততার কারণ ঘটেছে, তখন তিনি মাগরিবের সালাত (দেরী করে) আদায় করেছেন এবং তা তিন রাকা’আতই আদায় করেছেন। মাগরিবের সালাম ফিরিয়ে কিছু বিলম্ব করেই ইশার ইকামাত দেওয়া হত এবং দু’ রাকা’আত আদায় করে সালাম ফিরাতেন। কিন্তু ইশার পরে গভীর রাত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতেন না। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৩০]

আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি, তাঁর সাওয়ারী যেদিকেই ফিরেছে, তিনি সে দিকেই সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৩১]

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু উমর (রাঃ) তাঁর সাওয়ারীর উপর (নফল) সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন এবং এর উপর বিতর আদায় করতেন। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতেন। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৩২]

আমীর ইবনু রাবী’আ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি, তিনি সাওয়ারীর উপর উপবিষ্ট অবস্থায় মাথা দিয়ে ইশারা করে সে দিকেই সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন যে দিকে সাওয়ারী ফিরত। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরয সালাতে এরূপ করতেন না। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৩৫]

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ারীর উপর থাকা অবস্থায় পূর্ব দিকে ফিরেও সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন। কিন্তু যখন তিনি ফরয সালাত আদায় করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি সাওয়ারী থেকে নেমে যেতেন এবং কিব্‌লামুখী হতেন। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৩৬]

হাফস ইবনু আসিম (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইবনু উমর (রাঃ) একবার সফর করেন এবং বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহচর্যে থেকেছি, সফরে তাঁকে নফল সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে দেখিনি এবং আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেনঃ “নিশ্চই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা আহযাবঃ ২১১) [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৩৮]

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সফরে) তাঁর বাহনের পিঠে এর গতিমুখী হয়ে মাথার ইশারা করে নফল সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। আর ইবনু উমর (রাঃ)-ও তা করতেন। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৪১]

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দ্রুত সফর করতেন, তখন মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। ইবরাহীম ইবনু তাহমান (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সফরে দ্রুত চলার সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহ্‌র ও আসরের সালাত (নামায/নামাজ) একত্রে আদায় করতেন আর মাগরিব ইশা একত্রে আদায় করতেন। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৪২]

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে পড়ার আগে সফর শুরু করলে আসরের ওয়াক্ত পর্যন্ত (পূর্ব পর্যন্ত) যুহ্‌র বিলম্বিত করতেন এবং উভয় সালাত (নামায/নামাজ) একত্রে আদায় করতেন। আর (সফর শুরু করার আগেই) সূর্য ঢলে গেলে যুহর আদায় করে নিতেন। এরপর (সফরের উদ্দেশ্যে) আরোহণ করতেন। [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৪৫]

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে পড়ার আগে সফর শুরু করলে আসরের ওয়াক্ত পর্যন্ত যুহরের সালাত (নামায/নামাজ) বিলম্বিত করতেন। তারপর অবতরণ করে দু’ সালাত একসাথে আদায় করতেন। আর যদি সফর শুরু করার আগেই সূর্য ঢলে পড়তো তাহলে যুহ্‌রের সালাত আদায় করে নিতেন। তারপর বাহনে আরোহণ করতেন।  [সহীহ বুখারী (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ১৮/সালাতে কসর করা, হাদিস নম্বরঃ ১০৪৬]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আল্লাহ্‌ যখন সালাত ফরয করেছিলেন, তখন দু’রাকাত ফরয করেছিলেন। এরপর মুকিমের সালাত পুরা করেন (চার রাক'আত) কিন্তু সফরের সালাত প্রথম অবস্থায়ই রাখা হয়। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৪৪]

ইয়ালা ইবনু উমায়্যা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কে বললাম, (আল্লাহ তা’আলা বলেছেন) "যদি তোমরা ভয় পাও যে, কাফিররা তোমাদেরকে কষ্ট দেবে, তরে সালাত সংক্ষেপ করে পড়াতে কোন দোষ নেই" কিন্তু এখন তো লোকেরা নিরাপদ। উমর (রাঃ) বললেন, বিষয়টি আমাকেও বিস্মিত করেছে, যা তোমাকে বিস্মিত করেছিল। তারপর আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলাম ও এর জবাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, এটি আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি একটি সাদাকা। তোমরা তাঁর সাদাকাটি গ্রহণ কর। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৪৬] 

হাফস ইবনু আসিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। ইবনু উমর (রাঃ) আমাকে দেখতে আসেন। তিনি বলেন, আমি তাঁর কাছে সফরে সুন্নাত সালাত পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, আমি তো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সফরে ছিলাম, কিন্তু তাকে কখনো সুন্নাত আদায় করতে দেখি নি। যদি আমি সুন্নাত পড়তাম তাহলে আমি (ফরয) সালাতকেই পূর্ণভাবে আদায় করতাম। আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, "নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে রয়েছে তোম্যদের জন্য উত্তম আদর্শ।" [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৫৩]

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মদিনা থেকে মক্কার দিকে রওনা দিলাম। সেই সফরে তিনি মদিনায় ফিরে আসা পর্যন্ত দু' রাক'আত দু’ রাক'আত করে সালাত আদায় করেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি মক্কায় কতদিন ছিলেন? তিনি বললেন, দশ দিন। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৫৯] 

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উষ্ট্রের পিঠে নফল সালাত আদায় করতেন, উষ্ট্রের মুখ যে দিকেই থাক না কেন। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৮৩]

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে গাধার উপরে সালাত আদায় করতে দেখেছি যখন তিনি খায়বারের দিকে মুখ করেছিলেন। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৮৭]

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাওয়ারীর উপর বসে বিতর আদায় করতেন। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৯০]

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যখন সফরে তাড়াহুড়ো থাকত তখন মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করতেন। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৯৪]  

ইয়াহিয়া ইবনু ইযায়ীদ আল হুনাঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এর নিকট সালাত কসর করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরের উদ্দেশ্যে তিন মাইল অথবা (রাবী শুবার সন্দেহ) তিনি তিন ফারসাখ পথ অতিক্রম করতেন, তখন দু’রাকআত পড়তেন। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৫৬]

যুহায়র ইবনু নুফায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুরাহবিল ইবনুল সিম্‌ত (রহঃ) এর সঙ্গে একটি গ্রামের দিকে রওনা দিলাম, যা সতের বা আঠার মাইলের মাথায় অবস্থিত। তারপর তিনি দু' রাক'আত সালাত পড়লেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমি উমর (রাঃ) কে দেখেছি, তিনি যুল হুলায়ফায় দু' রাক'আত পড়েছেন। এ বিষয়ে তাঁকে আমি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যেরূপ করতে দেখেছি, সেরূপই করছি। [সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৬/মুসাফিরের সালাত ও কসর, হাদিস নম্বরঃ ১৪৫৭]

No comments:

Post a Comment